ভর্তা-ভাজি

কচুর মালার বড়া রেসিপি

কচুর মালার বড়া রেসিপি

কচুর মালার বড়ার নাম শুনে নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন তাইনা? ভাবছেন এ আবার কেমন খাবার। অবাক হলেও সত্যি যে এই বড়াটি খেতে খুবই মজা ও টেস্টি। আর এই বড়া খুব সহজেই তৈরি করা যায়। যখন কোন খাবার খেতে ভাল লাগছে না তখন এই বড়াটি তৈরি করতে পারেন খেতে ভাল লাগবে। তাহলে দেখেনিন রেসিপি।

আমাদের এনড্রয়েড মোবাইল এপস। বাছাই করা সেরা ১০১ পিঠার রেসিপি। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুণ!

যা যা প্রয়োজন

কচুর মালা– ১৬টি

চালের গুঁড়া– ২ কাপ

আদা বাটা– ২ টে চামচ

রসুন বাটা– ১ টে চামচ

হলুদ, জিরা গুঁড়া– ১ চা চামচ করে

মরিচ গুঁড়া– ২ চা চামচ

লবণ– স্বাদমতো

তেল– পরিমাণমতো

যেভাবে করবেন

মানকচুর উপরের দিকের নরম অংশ কেটে বাদ দিয়ে, তার পরের শক্ত অংশ থেকে এক-দেড় ইঞ্চি মোটা করে ৮ টি টুকরা কেটে নিন। এবার এই টুকরাগুলোকে ছিলে মাঝ বরাবর দুই ভাগ করে কেটে নিন। ১৬ ভাগ হলো। এই ১৬টি টুকরাকে প্রথমে ১/২ ইঞ্চি বরাবর কুচি করুন।

এবার কচুর টুকরাটিকে উল্টো দিক দিয়ে ধরে আবার কুচি করুন। জোড়া কাটবেনা। মাঝ বরাবর পর্যন্ত এসে থেমে যাবেন। সব কাটা হলে মালা গুলোর উপরে লবণ ছিটিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিন। দশ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে হাত দিয়ে চিপে পানি নিংড়ে নিন। এইগুলো এইবার নরম হয়েছে। এখন হাতের চাপে চেপে চেপে লম্বা করে রাখুন। অন্য একদিন স্টেপ বাই স্টেপের ছবি দিয়ে বুঝিয়ে দেবো।

যেভাবে বড়া করবেন

চালের গুড়ার সাথে বাটা ও গুঁড়া মসলা মিশিয়ে নিন। পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে ব্যাটার করে নিন। ব্যাটার বেশী পাতলাও হবেনা আবার বেশী ঘনও হবেনা। ব্যাটার করা হলে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এই ফাঁকে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে নিন। ১৫ মিনিট পর একটা একটা করে কচুর মালা ব্যাটারে ডুবিয়ে ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে নিন। তেল ছেঁকে পেপার টাওয়েলের ওপর রাখুন বাড়তি তেল শোষন করে নেয়ার জন্যে।

** গরম গরম পরিবেশন করুন ভাতের সাথে অথবা স্ন্যাক্স হিসাবে বিকেলের নাস্তায়।

'সবধরনের ভিডিও রেসিপি দেখতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুণ!'


বিঃ দ্রঃ মজার মজার রেসিপি ও টিপস, রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বিডি রমণী



Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

সর্বোচ্চ পঠিত

BD Romoni YouTube Channel
To Top