সংসার

সন্তান প্রসব, শালদুধ এবং একজন মা

সন্তান প্রসব, শালদুধ এবং একজন মা

সন্তানের স্বাস্থ্য নির্ভর করে মায়ের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর খাবার-দাবারের ওপর। গর্ভাবস্থায় মা নিজের দেহ থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে গর্ভের সন্তানকে। তা শিশুকে যথাযথভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এ ক্ষেত্রে মায়ের দেহের যে ক্ষয় হয়, তা পূরণ করা না হলে স্বাস্থ্যহানি ঘটে। এ জন্য গর্ভাবস্থায় মাকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বেশি খাবার খেতে হয়। সন্তান প্রসবের পর মাকে আরও কিছু কাজ করতে হয়। এগুলো হল-

আমাদের এনড্রয়েড মোবাইল এপস। বাছাই করা সেরা ১০১ পিঠার রেসিপি। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুণ!

মায়ের দুধ ও শিশুর পুষ্টি : মায়ের দুধ শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর পরই শিশুকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। তার ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধই পান করতে দিতে হবে, এক ফোঁটা পানিও পান করতে দেওয়া যাবে না।

মায়ের দুধের উপকারিতা : শিশুর জন্য মায়ের দুধের উপকারিতা অনেক। তা হলো শালদুধ অত্যন্ত পুষ্টিকর। মায়ের দুধে অ্যান্টিবডি থাকে। তা শালদুধে বিদ্যমান। এ অ্যান্টিবডি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তার অসুখ-বিসুখ, ডায়রিয়া, কান পাকা, সর্দি-কাশি, চুলকানি, নিউমোনিয়া, সেপসিস ইত্যাদি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। এ ছাড়া এতে থাকে ব্যাপক ভিটামিন ‘এ’। পরিমাণে কম হলেও এ শালদুধ প্রথম তিন দিনের জন্য যথেষ্ট। জন্মের পর পরই শিশুকে মায়ের বুকে দিলে সে দুধ চুষে খেতে শেখে এবং এতে মায়ের দুধও তাড়াতাড়ি নামে।

শালদুধ শিশুর প্রথম কালো পায়খানা বের হতে সাহায্য করে। তার শরীরে যতটুকু পানির দরকার, তা মায়ের দুধে বিদ্যমান। তাকে মায়ের দুধ খাওয়ালে মা ও শিশুর বন্ধন দৃঢ় হয়। মায়ের দুধ সব সময়ই নিরাপদ। এটি বাসি হওয়া বা সংক্রমিত হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। সব সময় সঠিক তাপমাত্রায় থাকে এবং এ দুধ তৈরি করার প্রয়োজন হয় না। মায়ের দুধ শিশুর চোয়াল এবং দাঁত ও মাড়ি গঠনে সহায়তা করে। মায়ের দুধ দেওয়ার সময় মায়ের শরীরের সঙ্গে লেগে থাকার কারণে শিশু মায়ের উষ্ণতা পায়, যা তার জন্য খুব প্রয়োজন। অসুস্থতার সময় দিনে-রাতে ঘন ঘন মায়ের দুধ দিলে সে তাড়াতাড়ি অসুখ থেকে সেরে ওঠে এবং অপুষ্টি থেকে রক্ষা পায়।

মায়ের উপকারিতা : জন্মের পর পরই শিশুকে মা বুকের দুধ পান করালে শিশুর পাশাপাশি মায়েরও অনেক উপকার হয়। যেমন, মায়ের জরায়ু দ্রুত সংকুচিত হয় এবং তাড়াতাড়ি আগের অবস্থায় ফিরে আসে। গর্ভফুল তাড়াতাড়ি বের হয় এবং রক্তপাত কমে। এ কারণেই বলে রাখা ভাল, সিজারিয়ান সেকশনের পর শিশুকে দুধ দেওয়ার জন্য মাকে সাহায্য করা উচিত। শিশুকে বুকের দুধ পান করালে মায়ের দুধ বেশি বেশি করে তৈরি হয় এবং মা-ও মানসিক তৃপ্তি পান।

লেখক : ডা. ইফফাত আরা
অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

'সবধরনের ভিডিও রেসিপি দেখতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুণ!'


বিঃ দ্রঃ মজার মজার রেসিপি ও টিপস, রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বিডি রমণী



Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

সর্বোচ্চ পঠিত

BD Romoni YouTube Channel
To Top