সংসার

দাম্পত্যে সুখ পেতে সকাল বেলায় এই ৬টি কাজ অবশ্যই করুন !

দাম্পত্য কোন একদিনের সম্পর্ক নয়,বরং একে চিরকালের বলেই ধরা হয়। মা-বাবার পরই যে মানুষটির সাথে আমরা সবচাইতে বেশী ঘনিষ্ঠ থাকি, তিনি হচ্ছেন জীবন সঙ্গী। এবং সত্যি কথা বলতে কি, যদিও প্রেমিক যুগলরা ভাবেন যে বিয়ের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যায় বা কাছে থাকলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বিষয়টি কিন্তু আসলে সম্পূর্ণ উল্টো। বরং বিয়ের পরই সমস্যা শুরু হয়। একটি প্রেমের আনন্দ ও শান্তি ধরে রাখা যতটা সহজ, দাম্পত্যে ততটাই কঠিন? নিজের দাম্পত্য সম্পর্কে সুখী হতে চান। জেনে নিন এমন ৬টি কাজের কথা যেগুলো প্রতিদিন সকালে করাটা দারুণ উপকারী প্রমাণিত হবে আপনাদের জন্য। ১) জেগে ওঠার ব্যাপারটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ: হ্যাঁ, সকালে সবারই খুব তাড়াহুড়া থাকে এবং ঘুম থেকে উঠতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান। বলাই বাহুল্য যে মেজাজও খিঁচরে যায়। তবে সকালে নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে কখনোই ধমক দিয়ে বা রাগ করে ঘুম ভাঙাবেন না। বরং মিষ্টি করে ডেকে, আদর করে যদি ঘুম ভাঙাতে পারেন সেটা সবচাইতে ভালো। ঘুম ভাঙার সাথে সাথেই রাগারাগি যে কোন মানুষের মন বিষণ্ণ করে তোলে এবং আপনার প্রতি তাঁকে নিজের অজান্তেই বিরূপ করে তোলে। প্রিয় মানুষটির ঘুম ভাঙতে যদি দেরি হয়, বিরক্ত হবেন না মোটেও। বা হলেও প্রকাশ করবেন না। ২) সকালে যৌনতা: সম্পর্ক বিষয়ে অভিজ্ঞ যে কোন গবেষকরাই একটা কথা বলেন যে সকালে যৌনমিলন দাম্পত্যকে অনেক বেশী মধুর করে তোলে। যেসব দম্পতিরা সকালে যৌন মিলন করেন, তাঁদের পরস্পরের প্রতি মমতা বেশী হতে দেখা যায়। রোজ না হোক, ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সপ্তাহে ২/৩ বার সকালে ভালবাসুন প্রিয় মানুষটিকে। দেখবেন দিন জুড়েই দারুণ রোমান্টিক থাকবে সম্পর্ক। ৩) এক সাথে স্বাস্থ্য সচেতনতা: খুবই ভালো হয় যদি দুজনে মিলে সকালে মর্নিং ওয়াক করতে পারেন। সংসারের যন্ত্রণা থেকে দূরে সকালে কিছুটা সময় পাশাপাশি হাঁটলেন দুজন। এতে স্বাস্থ্য রক্ষা তো হলোই, সাথে নিজেরা একটু নিরিবিলি কথা বলার ও সময় কাটানোর সুযোগ পেলেন। দেখবেন এতে অনেক মনের কথাই জানা হবে পরস্পরের। ৪) নাস্তা হওয়া চাই অবশ্যই একত্রে: যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ১০ মিনিট সময় বের করে একত্রে নাস্তা করুন সকালে। একজন নাস্তা করবেন, আরেকজন ঘুমিয়ে থাকবেন এমনটা যেন না হয়। সন্তানদের সাথে নিয়েই বসুন দুজনে। ৫) অপ্রীতিকর সবকিছু বাদ: সকাল বেলায় সংসারের কম ঝামেলা নিয়ে আলোচনা করবেন না, গত রাতের ঝগড়াও সকালে টেনে আনবেন না। দোষারোপ করা, রাগারাগি করে ইত্যাদি সব সকালে ভুলে যান। ৬) বিদায়ের আগে মিষ্টি ভালোবাসা: সকালের পর বেশিরভাগ দম্পতিই অনেকটা সময়ের জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। তাই বিদায়টা নিন সুন্দর করে। একটু চুমু, একটু আলিঙ্গন, একটু আদর ইত্যাদি ছোট ব্যাপার গুলো বাকি দিন ঘরে ফিরে আসার তাগিদ ধরে রাখবে পরস্পরের মাঝে।

দাম্পত্য কোন একদিনের সম্পর্ক নয়,বরং একে চিরকালের বলেই ধরা হয়। মা-বাবার পরই যে মানুষটির সাথে আমরা সবচাইতে বেশী ঘনিষ্ঠ থাকি, তিনি হচ্ছেন জীবন সঙ্গী। এবং সত্যি কথা বলতে কি, যদিও প্রেমিক যুগলরা ভাবেন যে বিয়ের পর সবকিছু ঠিক হয়ে যায় বা কাছে থাকলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বিষয়টি কিন্তু আসলে সম্পূর্ণ উল্টো। বরং বিয়ের পরই সমস্যা শুরু হয়। একটি প্রেমের আনন্দ ও শান্তি ধরে রাখা যতটা সহজ, দাম্পত্যে ততটাই কঠিন? নিজের দাম্পত্য সম্পর্কে সুখী হতে চান। জেনে নিন এমন ৬টি কাজের কথা যেগুলো প্রতিদিন সকালে করাটা দারুণ উপকারী প্রমাণিত হবে আপনাদের জন্য।

আমাদের এনড্রয়েড মোবাইল এপস। বাছাই করা সেরা ১০১ পিঠার রেসিপি। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুণ!

১) জেগে ওঠার ব্যাপারটি সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ:

হ্যাঁ, সকালে সবারই খুব তাড়াহুড়া থাকে এবং ঘুম থেকে উঠতে গিয়ে অনেকেই হিমশিম খান। বলাই বাহুল্য যে মেজাজও খিঁচরে যায়। তবে সকালে নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে কখনোই ধমক দিয়ে বা রাগ করে ঘুম ভাঙাবেন না। বরং মিষ্টি করে ডেকে, আদর করে যদি ঘুম ভাঙাতে পারেন সেটা সবচাইতে ভালো। ঘুম ভাঙার সাথে সাথেই রাগারাগি যে কোন মানুষের মন বিষণ্ণ করে তোলে এবং আপনার প্রতি তাঁকে নিজের অজান্তেই বিরূপ করে তোলে। প্রিয় মানুষটির ঘুম ভাঙতে যদি দেরি হয়, বিরক্ত হবেন না মোটেও। বা হলেও প্রকাশ করবেন না।

২) সকালে যৌনতা:

সম্পর্ক বিষয়ে অভিজ্ঞ যে কোন গবেষকরাই একটা কথা বলেন যে সকালে যৌনমিলন দাম্পত্যকে অনেক বেশী মধুর করে তোলে। যেসব দম্পতিরা সকালে যৌন মিলন করেন, তাঁদের পরস্পরের প্রতি মমতা বেশী হতে দেখা যায়। রোজ না হোক, ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে সপ্তাহে ২/৩ বার সকালে ভালবাসুন প্রিয় মানুষটিকে। দেখবেন দিন জুড়েই দারুণ রোমান্টিক থাকবে সম্পর্ক।

৩) এক সাথে স্বাস্থ্য সচেতনতা:

খুবই ভালো হয় যদি দুজনে মিলে সকালে মর্নিং ওয়াক করতে পারেন। সংসারের যন্ত্রণা থেকে দূরে সকালে কিছুটা সময় পাশাপাশি হাঁটলেন দুজন। এতে স্বাস্থ্য রক্ষা তো হলোই, সাথে নিজেরা একটু নিরিবিলি কথা বলার ও সময় কাটানোর সুযোগ পেলেন। দেখবেন এতে অনেক মনের কথাই জানা হবে পরস্পরের।

৪) নাস্তা হওয়া চাই অবশ্যই একত্রে:

যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ১০ মিনিট সময় বের করে একত্রে নাস্তা করুন সকালে। একজন নাস্তা করবেন, আরেকজন ঘুমিয়ে থাকবেন এমনটা যেন না হয়। সন্তানদের সাথে নিয়েই বসুন দুজনে।

৫) অপ্রীতিকর সবকিছু বাদ:

সকাল বেলায় সংসারের কম ঝামেলা নিয়ে আলোচনা করবেন না, গত রাতের ঝগড়াও সকালে টেনে আনবেন না। দোষারোপ করা, রাগারাগি করে ইত্যাদি সব সকালে ভুলে যান।

৬) বিদায়ের আগে মিষ্টি ভালোবাসা:

সকালের পর বেশিরভাগ দম্পতিই অনেকটা সময়ের জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। তাই বিদায়টা নিন সুন্দর করে। একটু চুমু, একটু আলিঙ্গন, একটু আদর ইত্যাদি ছোট ব্যাপার গুলো বাকি দিন ঘরে ফিরে আসার তাগিদ ধরে রাখবে পরস্পরের মাঝে।

'সবধরনের ভিডিও রেসিপি দেখতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুণ!'


বিঃ দ্রঃ মজার মজার রেসিপি ও টিপস, রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বিডি রমণী



Click to comment

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

সর্বোচ্চ পঠিত

BD Romoni YouTube Channel
To Top