ছোট শিশুরা পৃথিবীতে আসামাত্র নানা রোগ ব্যধির শিকারে পরিণত হয়। এজন্য বলা হয়, মার্তৃগর্ভ শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা।

শিশু জন্ম হবার পর থেকেই শিশুকে নিয়মিত কিছু জরুরি রোগের টিকা দিতে হবে তার সুন্দর ও রোগবিহীন ভবিষ্যতের জন্য।

কেন আপনার শিশুকে নিয়মিত টিকা দিতে হবে?

টিকা আপনার শিশুকে অনেক ধরণের শিশু রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখে। যেগুলোর প্রায় সবগুলোই ভয়াবহ রকমের প্রাণ ঘাতী।

কোন রোগের জন্য কি টিকা দিতে হবে?

আসুন জেনে নিই কোন রোগ গুলোর জন্য শিশুকে টিকা দিতে হবে।

ডিপথেরিয়া

-হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি (হিব ডিজিজ- ব্যক্টেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত এক রকমের মেনিনজাইটিস)

-হেপাটাইটিস এ এবং বি

-হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস

-ইনফ্লুয়েঞ্জা

-মিজলস

-মাম্পস

-মেনিনগোকক্কাল

-হুপিং কাশি

-পোলিও

-রোটাভাইরাস

-রুবেলা

-টিটেনাস

-চিকেন পক্স

-নিউমোকক্কাল

কোন রোগের টিকার জন্য কত ডোজ দিতে হবে

-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হুপিং কাশি–৪ ডোজ

-হিব ভ্যাক্সিন–৩/৪ ডোজ (ব্র্যান্ডের উপর নির্ভরশীল)

-নিউমোকক্কাল ভ্যাক্সিন–৪ ডোজ

-পোলিও ভ্যাক্সিন–৩ ডোজ

-হেপাটাইটিস এ ভ্যাক্সিন– ২ ডোজ

-হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিন– ৩ ডোজ

-মিজলস, মাম্পস ও রুবেলা ভ্যাক্সিন–১ ডোজ

-রোটাভাইরাস ভ্যাক্সিন–২/৩ ডোজ

-চিকেন পক্স ভ্যাক্সিন-১ ডোজ

-ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যক্সিন (বছরে ১/২ ডোজ)

অন্যান্য ওষুধের মতোই ভ্যাক্সিনের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে

যেমন-টিকা বা ইঞ্জেকশন দেয়ার স্থানে র‍্যাশ বা চুলকানি হওয়া, দেহে সামান্য জ্বর অনুভূত হওয়া ইত্যাদি। টিকা দিলে কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর অনুভূতি হতে পারে, যা নিয়ে ঘাবড়ানো উচিত নয়।

কেন টিকাদানে দেরি করা উচিত নয়?

৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা খুব বেশি শক্তিশালী হয় ন। তাই তারা সহজেই রোগাক্রান্ত হয়। তাই ২ বছর বয়সের মাঝেই সব টিকা ঠিকভাবে দেয়া হলে শিশু রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকে।

রেকর্ড রাখুন প্রতি ডোজের

বছরের কোন সময়টিতে কোন টিকা দেয়া হয়েছে, তার লিখিত রেকর্ড রাখুন। এতে একই টিকা একাধিকবার দেয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। এটা শিশুকে প্রথম টিকা দেয়ার সময় থেকেই লিখে রাখতে হবে ও নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে।

নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন

টিকা দিলে সাধারণত শিশুর কোন ক্ষতি হয় না। তবুও নেতিবাচক কিছু লক্ষ্য করা গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

নিয়মিত আপনার শিশুকে টিকা দিন, উপহার দিন সমৃদ্ধ জীবন।

গুগল প্লে-স্টোর থেকে আমাদের "পিঠার ১০১ রেসিপি" এন্ড্রয়েড এপসটি ডাউনলোড করুণ এখনি!